মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

সচিব

মোআবদুল মান্নান

সচিববস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

 এঁর

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

জনাব মোআবদুল মান্নান ১৫ নভেম্বর ১৯৬২ খ্রি. তারিখে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলাধীন চান্দপুর গ্রামে একটি সম্ভ্র্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আলহাজ্ব মো. ছিদ্দিক হোসেন এবং মাতা মরহুমা আয়েশা আক্তার খাতুন। তাঁর সহধর্মিনী মরহুমা কামরুন নাহার। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জনক। মেয়ে ডাঃ যারীন তাসনিম এবং বড় ছেলে ডাঃ ইমতিয়াজ আবদুল্লাহ পেশায় চিকিৎসক। ছোট ছেলে ইশতিয়াক জবিউল্লাহ বর্তমানে নটরডেম কলেজ, ঢাকায় অধ্যয়নরত।

শিক্ষা জীবন

তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে কলেজ জীবন সম্পন্ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি,এস,এস (অনার্স) এবং এম,এস,এস ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডিপ্লোমা-ইন-এডুকেশন ডিগ্রি অর্জন করেন। 

প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা

মাঠ প্রশাসন

জনাব মো. আবদুল মান্নান একজন ক্যারিয়ার সিভিল সার্ভেন্ট। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৮ম ব্যাচের একজন সফল কর্মকর্তা। তিনি মাঠ প্রশাসনের প্রায় সকল পদে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১০-২০১৪ সাল পর্যন্ত জেলাপ্রশাসক হিসেবে যথাক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রাম জেলায় জনপ্রিয়তা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার পদেও (২০১৭-২০১৯ খ্রি. পর্যন্ত) সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

চাকরি জীবনের ধারাবাহিকতায় তিনি বিভিন্ন পদাধিকারী হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কাজ করেন। এছাড়া তিনি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র শিক্ষা ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা’র একান্ত সচিব হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম হিসেবে পদায়নের পূর্বে তিনি যুগ্মসচিব এবং অতিরিক্তি সচিব হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ০৯ জুন, ২০২০ খ্রি. তারিখ হতে ০৪ এপ্রিল, ২০২১ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোপূর্বে তিনি ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে ২৭ জানুয়ারি ২০২০ খ্রি. তারিখ হতে ০৮ জুন ২০২০ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বিগত ১১ এপ্রিল, ২০২১ খ্রি. তারিখ হতে তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

প্রশিক্ষণ

তিনি দেশে ও বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে উল্লেখ্য, বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স, বিপিএটিসি; বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী (বিএমএ); সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট প্রশিক্ষণ; কম্পিউটার কোর্স; MATT কোর্স ইত্যাদি।

 

পদক  সম্মাননা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য কমিশন কর্তৃক আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০১৯’ এ শ্রেষ্ঠ বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে তিনি ‘তথ্য অধিকার পদক’ প্রাপ্ত হন। তিনি বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন বাংলাদেশে অবস্থানকারী মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত প্রায় দশ লক্ষ রোহিঙ্গা নাগরিকের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (Joint Working Group ) ডেপুটি টিম লিডার (Deputy Team Leader) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিদেশ ভ্রমণশর্ট কোর্স

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি কৃতিত্বের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য- যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, রাশিয়া, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, নেপাল, চীন, ফিলিপাইন ও মিয়ানমার।

উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা

একজন সুলেখক এবং কথা সাহিত্যিক হিসেবে দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত তাঁর সাহিত্য বিষয়ক গল্প ও নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। তাঁর  প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গল্পগ্রন্থ অন্তরালে দৃশ্যপট ‘পালক পাবলিসার্স’ থেকে ২০১২ সালে, দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ সক্রেটিসের জল্লাদ ‘আগামী প্রকাশনী’ থেকে ২০১৬ সালের একুশে’র বইমেলায় প্রকাশিত হয়। তাঁর গল্প অবলম্বনে ২০১৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া বাংলাদেশ  টেলিভিশনে প্রচারিত হয় এবং একই গল্প ২০১৯ সালে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত হয়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান প্রাপ্ত হয়েছে। তাছাড়া তাঁর সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রাম থেকে যথাক্রমে সরোদ এবং সাম্পান নামে প্রকাশিত হয়। ২০১৮ সালে অমর একুশে বইমেলায় ‘পাঠক সমাবেশ’ থেকে প্রকাশিত হয় দুই বর্ণ এবং সর্বশেষ ২০২০ সালের একুশের বইমেলায় অন্যপ্রকাশ বের করে তাঁর গল্পগ্রন্থ কেবলই পেছনে তাকাই

সামাজিক কর্মকান্ড 

শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক নানা সংগঠনের সাথে তিনি একনিষ্ঠভাবে জড়িত আছেন। যেমন: সদস্য, বাংলা একাডেমী; জীবন সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন; জীবন সদস্য, রাষ্ট্রবিজ্ঞান এলামনাই এসোসিয়েশন; জীবন সদস্য, চট্টগ্রাম রাইফেল ক্লাব; ইতোপূর্বে অফিসার্স ক্লাব ঢাকা’র নির্বাহী কমিটির নির্বাচিত সদস্য ও যুগ্ম সম্পাদক; নির্বাহী সদস্য, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, ঢাকা; প্রতিষ্ঠাতা, গ্র্যাজুয়েট ক্লাব ও লাইব্রেরি মানিকখালী, কিশোরগঞ্জসহ আরো একাধিক ক্লাব ও সমিতির প্রতিষ্ঠাতা এবং উপদেষ্টা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।


Share with :

Facebook Facebook